শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৩ ১৪২৬   ১৯ সফর ১৪৪১

গো বিডি ২৪

বাংলাদেশে আসছেন ফুটবল কিংবদন্তি পেলে

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

বাংলাদেশে আসছেন ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি পেলে। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস ও ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এর মধ্যকার একটি প্রীতি ম্যাচ দেখতে ঢাকা আসবেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এ সুপারস্টার।

‘কালো মানিক’ পেলেকে বাংলাদেশে আনার সমস্ত কিছু দেখভাল করছেন ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এর ক্যাপ্টেন এবং চল খেলি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান। বাংলাদেশে ফুটবলের হারানো গৌরব জাগিয়ে তুলতে ট্রাস্টটির পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এর হয়ে শুরু থেকেই খেলছেন তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী। তিনি বাংলানিউজকে জানান, সারাবিশ্বে ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা থাকলেও বাংলাদেশে তুলনামূলক কম। মূলত বাংলাদেশে ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং দর্শকদের ফুটবলমুখী করতেই ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস কাজ করছে।

তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এর ক্যাপ্টেন এবং চল খেলি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান বাংলাদেশে ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি পেলেকে আনার ব্যবস্থা করেছেন। আগামী মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস ও ফুটি হ্যাগস টিম অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এর মধ্যকার একটি প্রীতি ম্যাচ দেখতে ঢাকায় আসবেন পেলে।

চল খেলি ট্রাস্টের মুখপাত্র আশরাফুল ইসলাম সজীব বাংলানিউজকে জানান, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আপামর বাঙালির সঙ্গে ফুটবলাররাও অংশ নেন। বিভিন্ন দেশে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলে মুক্তিযুদ্ধের জন্য ফান্ড সংগ্রহ করেন।

তিনি বলেন, কিছুদিন পরেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এর আগেই বাংলাদেশের ফুটবলকে জাগিয়ে তুলতে চাই আমরা। এ দেশের সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধা ফুটবলারদের জানাতে চাই সর্বোচ্চ সম্মান। এ জন্য চল খেলির পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ফুটবলকে জাগিয়ে তুলতে ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি পেলেকে বাংলাদেশে আনছি আমরা। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে ফুটবলের জাগরণ সৃষ্টি হবে বলে আমাদের আশা।’ যোগ করেন সজিব।তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ূথ’ পুরস্কার দিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ)।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে ইউনিসেফ ভবনে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক সন্ধ্যা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েত্তা ফোর শেখ হাসিনার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনিসেফের দেওয়া সম্মানজনক এই পুরস্কার দেশবাসী এবং বাংলাদেশ ও সারাবিশ্বের শিশুদের উৎসর্গ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এবং শিক্ষা ছাড়া কোনও জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না।

তিনি বলেন, তরুণদের উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানে উপযোগী করে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

এক্ষেত্রে অব্যাহত সহযোগিতা দেওয়ার জন্য ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইউনিসেফ বাংলাদেশে শিক্ষার হার বাড়াতে এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

বিনামূল্যে বই বিতরণ কর্মসূচি, উপবৃত্তি প্রদান ও স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে দেশে শতভাগ শিশু স্কুলে ভর্তি হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে গত এক দশকে স্বাক্ষরতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তবে, শতভাগ স্বাক্ষরতা অর্জনের লক্ষ্যে আরও কাজ করে যেতে হবে।

ইউনিসেফের দেওয়া এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েত্তা ফোর ও ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত এবং ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

Loading...
এই বিভাগের আরো খবর